
চৌদ্দগ্রামে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রেষ্টুরেন্ট ভাংচুর ও লুটপাট
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রেষ্টুরেন্টে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে কালিকাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আবদুল মতিন, তাঁর ছেলে সাইফুল ইসলাম সুমন, একই গ্রামের নুরের সোফা, তাঁর ছেলে আজাদ হোসেন, মোঃ আজম আসামী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার উপ-পরিদর্শক মোতাব্বির হোসেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘোলপাশা ইউনিয়নের উত্তর বাবুচি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাবা আসলাম মিয়ার মৃত্যুর পর বাবুচি মৌজায় সাবেক দাগ-৭৩৪/১৬-এ ৩৬ শতক জমি তারা চার ভাই ও তিন বোনের ভোগদখল করে আছে।
ওই সম্পত্তিতে যৌথভাবে দোকান ঘর নিমার্ণ করে দোকান ঘর ভাড়া দিয়ে আসছে। গত পাঁচ বছর পূর্বে সাইফুল ইসলাম সুমন গং ওই সম্পত্তি থেকে ১০ শতক জায়গা জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে দেলোয়ার হোসেন গং কিছু বললে সাইফুল ইসলাম সুমন গং ওই সম্পত্তির ভূয়া কাগজপত্র উপস্থাপন করে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে।
ইতোপূর্বে সুমন গংয়ের সাথে দেলোয়ার হোসেনের পৈত্রিক সম্পত্তির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।
ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে সুমন গং দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর ভাই-বোনকে প্রাণনাশের হুমকি ধমকি প্রদান করে।
এছাড়াও তারা গত ৩ মাস যাবত অহেতুক বিনা কারনে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে দেলোয়ার হোসেনের পৈত্রিক সম্পত্তির মালিকানা জায়গা দাবি করে জবর দখলের জন্য বিভিন্ন ভাবে পাঁয়তারা করছে সুমন গং।
পরবর্তীতে দেলোয়ার হোসেন গং খবর পেয়ে পৈত্রিক মালিকীয় জায়গায় উপরে গিয়ে বাধা প্রদান করিলে সুমন গং তাদেরকে গালমন্দ করে। এক পর্যায়ে দেলোয়ার হোসেনের স্বজন ও তার বোনকে মারধর করার জন্য তাড়া করে। তারা প্রাণ ভয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। সুমন গং উচ্চ স্বরে হুমকি প্রদান করে বলে, বিরোধকৃত জায়গায় কোন প্রকার ভোগ দখল ককরতে দিবে না।
ঘটনার সময় দেলোয়ার হোসেনের তিন ভাই আবদুল মতিন ও সুমন গংয়ের দায়েরকৃত মামলায় কুমিল্লার আদালতে হাজিরা দিতে উপস্থিত ছিলেন।
দেলোয়ার হোসেন আরও জানান গত তিনবছর আগে আবদুল মতিন গং আামাদের জায়গা দখল করা হোটেল নিমান করে ,রবিবার (১৩ এপ্রিল )আমরা তিনভাই কুমিল্লা আাদালতে হাজিরায় উপস্থিত ছিলাম। তারা নিজেরাই হোটেল ভাংচুর করে আমাদেরকে দোষারোপ করে এবং ঐদিন বিকালে সুমন মতিন গংরা আমাদের মালিকানাধীন অন্য জায়গায় একটি মাকেট ভাংচুর করে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিপক্ষের আবদুল মতিন বলেন তারা যে অভিযোগ করছে সব মিথ্যা বানোয়াট।
চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক মোতাবিবর হোসেন বলেন, পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দেলোয়ার হোসেন দুলাল বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।