
সোনাইমুড়ীতে মাদ্রাসার আয়ার
গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা !
জসিম উদ্দিন রাজ, সোনাইমুড়ীঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী থানার অন্তর্গত ১নং জয়াগ ইউনিয়নের, জয়াগ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসার আয়া খাদিজা আক্তার (২৪) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে জয়াগ বাজারে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার করেছেন বলে ধারণা করছে পরিবার।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায় যে, খাদিজা (২৪) সোনাইমুড়ী উপজেলার সমিতির বাজার সাইফিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ইসরাফিল হাবিব (৩৫) এর সাথে ৬ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়।
দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একজন কন্যা সন্তান রয়েছে। খাদিজার মা বলেন, ইসরাফিল হাবিব প্রায় সময় যৌতুকের জন্য খাদিজাকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। এক পর্যায় ধার দেনা করে, ২ লক্ষ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ মেয়ের জামাই ইসরাফিল হাবিব দিই। এতেও খাদিজার স্বামী ইসরাফিল হাবিব মন ভরে না, সে অন্য একাধিক নারীর সাথে পরক্রিয়া আসক্ত হতে থাকেন। পরক্রিয়া প্রেমের বলি হলেন আমার মেয়ে, তার নিজ স্ত্রী খাদিজা।
সোনাইমুড়ীর জয়াগ রশিদিয়া আলিম মাদ্রাসা খাদিজা ২ বছর ধরে চাকরি করেন। চাকরির সুবাদে জয়াগ বাজারে বাসা বাড়ায় থাকতেন তিনি।
খাদিজার মা বলেন, সমিতির বাজার সাইফিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ইসরাফিল হাবিব আমার মেয়ে জীবন যেভাবে সেই পরক্রিয়া আসক্ত হয়ে নষ্ট করলো। আর যাতে কোন মেয়ের জীবন এভাবে নষ্ট না হয়। আমি সরকার ও প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি।
সোনাইমুড়ী থানার এস আই মিঠন বলেন, খাদিজার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.কবির হোসেন বলেন, তদন্তের মাধ্যমে সঠিক ঘটনা উদঘাটিত হবে।