মহেশপুরে ৫টি মানবপাচার মামলায় অর্ধশত আসামী এখন অধরা

আইন আদালত কুষ্টিয়া খুলনা জাতীয় সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

মহেশপুরে ৫টি মানবপাচার মামলায় অর্ধশত আসামী এখন অধরা

 

 

সুমন খান, ঝিনাইদহঃ

 

ঝিনাইদহে মহেশপুরে ৫ টি মামলায় অর্ধশত আসামী এখনো অধরা। তারা ধরাছোয়ার বাইরে। পুলিশ না পেলেও অনেক সময় তাদেরকে প্রকাশে দেখা যাচ্ছে।

 

মহেশপুর থানা সূত্রে জানান যায়,গত ৫ মাসে মানবপাচারে প্রতিরোধ দমন আইনে ৫ টি মামলা হয়। যার আসামী অর্ধশত।

 

গত ২৫ মে ২০২৬ ইং তারিখে যশোর বেজপাড়া সঞ্জয় রায় বাদি হয়ে একটি মামলা করে। যার নাম্বার ৪৫ (৫) ২৬ এই মামলায় ২১ জন আসামীর মধ্যে ১ জন আটক বাকি সবাই পলাতক।

 

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তামিম বলেন,আসামী একজন আটক বাকি আসামীদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। মুন্নি খাতুন বাদি হয়ে গত ৯ই মার্চ ২০২৬ ইং তাং- ১টি মামলা করেন। মামলা নং-১৮ তারিখ-৯-০৩-২৬। এই মামলার এজাহারভুক্ত ১২ জন অজ্ঞাত আরো ৩ /৪ জন ।

 

মামলার ১ নং আসামী আটক হলেও বাকিরা অধরা।

 

শিবগঞ্জ জেলার খোরশেদ বাদি হয়ে গত ৪-০৩-২৬ ইং তারিখে মামলা করে। এমামলায় ৬ জন এজাহারভুক্ত এবং ৪/৫ জন অজ্ঞাত,আটক ১ জন। নরসিংদী জেলার সাহিদা আক্তার বাদি হয়ে গত ৩-০৩-২৬ ইং তারিখে মামলা করে । এজাহারভুক্ত ৩ জন এবং অজ্ঞাত ৫/৬ জন। এই মামলায় কোন আটক নেই।

 

ঝালকাঠী জেলার সাদিয়া বাদি হয়ে ২২ শে ফেব্রæয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মামলা করে। যার নাম্বার ২৫ তারিখ ২২/০২/২৬।

 

এজাহারভক্ত আসামী ৬ জন অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন। আটক ১ জন। এসকল মামলায় অর্ধশত আসামী হলেও তারা থাকছে ধরাছোয়ার বাইড়ে।

 

পুলিশের খাতায় পলাতক থাকলেও মামলার ঝুকি নিয়ে আসামীরা দেরাচ্ছে সীমান্তে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। আসামীদের বাড়ি অধিকাংশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় বিজিবির পক্ষে আটক করা সম্ভব হলেও তা অদ্যবদি কার্যকারি হয়নি।

 

বিজিবির পক্ষ থেকে সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমান বলেন মামালা হওয়ার পর ঐ বিষয়ে তাদের আর তদারকি থাকে না।

 

এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আসামীদের ধরা চেষ্টা করেও পাওয়া যায় না। তারা সীমান্তে ঐ পাড়ে পালিয়ে থাকে।

 

এবিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি তদন্ত এনায়েত হোসেন বলেন,পুলিশের পক্ষ থেকে আসামী গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু আসামীরা সীমান্তে কাছাকাছি থাকায় তাদের আটক করা যাচ্ছে না।


শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *