লাকসামে দুর্নীতি ঢাকতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে  ফাইল গায়েবের অভিযোগ

আইন আদালত কুমিল্লা চট্টগ্রাম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

লাকসামে দুর্নীতি ঢাকতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে 
ফাইল গায়েবের অভিযোগ

 

লাকসাম প্রতিনিধিঃ

লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিলীপ কুমারকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার বুঝিয়ে দেয়নি সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রদান শিক্ষক রসরাজ দাস।

উক্ত রসরাজ দাস ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে এখানে যোগদান করেন।

দীর্ঘ বছর ধরে উক্ত স্কুলে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় অনেক সংবাদ প্রকাশিত হয়।

২৫ সালের ৩ মার্চ লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ তার বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবরে ৭পাতা সংযুক্তির একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ওই প্রতিবেদনের আলোকে ২৫ সালের ২৪ মার্চ কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক রিতা চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত পত্রে রসরাজ দাসকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করেন।

সেই নির্দেশ মোতাবেক ২৫ সালের ২৪ জুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে রসরাজ দাসকে সরিয়ে দিলীপ কুমার ভৌমিককে পদায়ন করা হয়।

ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় দিলীপ কুমার ভৌমিককে ৬ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার বুঝিয়ে দেয়নি
রসরাজ রাজ দাস।

সূত্র জানিয়েছে উক্ত স্কুলের শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম- দুর্নীতি রয়েছে।

সেই অনিয়ম দুর্নীতি ঢাকতে নিয়োগ রেজিস্টার বুঝিয়ে দেয়নি রসরাজ দাস।

কোচিং এর টাকা বিলিতেও রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি।

সেই অনিয়ম দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে কোচিং এর টাকা বিলি রেজিস্টার বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

ডিজিটাল হাজিরা ও মেসেজ এর জন্যে নেটিজেন কোম্পানির সাথে চুক্তি হয়। সেখানে বড় ধরনের অর্থ কেলেঙ্কারি চাপা দিতে উক্ত চুক্তি নামা ফাইল বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

দুইটি কলামনার ক্যাশবইতে পৃষ্ঠা সংক্রান্ত সভাপতি অথবা প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়ন থাকে। কিন্তু এখানে কোন প্রত্যয় নেই।

প্রাথমিক শাখার রেজুলেশন বইতেও পৃষ্ঠা সংক্রান্ত প্রত্যয়ন না থাকার অভিযোগ উঠেছে।

২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ডিউটি রোষ্টারের রেজিস্টার খাতা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে সুত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্রমতে প্রায় ৯ বছর একটানা প্রধান শিক্ষকের পদে থেকে উক্ত রসরাজ দাস ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি করেছে।

ওই অনিয়ম দুর্নীতি যেন প্রকাশ না পায় সেজন্যই গুরুত্বপূর্ণ এসব খাতাপত্র লুকিয়ে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে রসরাজ দাসের বক্তব্য নিতে টেলিফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *