
নওগাঁয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভূয়া নিয়োগে
সরকারি অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ
পোরশা প্রতিনিধি
নওগাঁর পোরশার নীতপুর মহিলা আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষের সহায়তায় শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ভূয়া নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল করিমের যোগসাজশে নিয়োগ নিয়ে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।
এ নিয়ে স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। জানা যায়, নওগাঁর পোরশা উপজেলা নিতপুর মহিলা আলিম মাদরাসা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল করিম তার মাদরাসায় মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক জনকে আ’লীগের প্রভাব খাটিয়ে বাংলা বিষয়ের প্রভাষক হিসাবে বিধিবহির্ভূত নিয়োগ দেন।
অধ্যক্ষ মাদরাসার বাংলা বিষয়ের প্রভাষক পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন গত ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবর জাতীয় দৈনিক সমকাল ও স্থানীয় দৈনিক সানশাইন পত্রিকায়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে ১৫ দিনের সময় দিয়ে আবেদনের আহ্বান করেন। সে মোতাবেক আবেদনের শেষ তারিখ ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর। কিন্তু অধ্যক্ষ আব্দুল করিম সুকৌশলে আবেদন দাখিলের সময় শেষ হওয়ার ৮ দিন পর অর্থাৎ ৯ নভেম্বর প্রকাশিত শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে গত ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ড গঠন করেন।
এরপর ওই বছরের ২৪ ডিসেম্বর তাকে নিয়োগপত্র দেন। সেই নিয়োগপত্র নিয়ে ২৬ ডিসেম্বর মাদরাসায় যোগদান করেন মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর তিনি গত ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এমপিওভুক্ত হয়ে এ পর্যন্ত সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি প্রিলিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদন করেছি। আমার নিয়োগ সঠিক আছে। মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল করিম বলেন, নীতিমালা মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তার নিয়োগ সঠিক আছে। আপনার যদি অন্য কিছু বলার থাকে তাহলে সেটা বলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।