
লাকসামে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী ঐশ্বর্য শীর্ষক সেমিনার ও ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী
লাকসাম প্রতিনিধিঃ
লাকসামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী: বহুমাত্রিক মানবিক ঐশ্বর্য’ শীর্ষক সেমিনার, ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার পশ্চিমগাঁয়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়িতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো. সাদেকুল ইসলাম, কুমিল্লা নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদা আক্তার, লাকসাম উপজেলা সহকারী কমিশানা (ভুমি) মিলন চাকমা, লাকসাম থানার ওসি কামরুন নাহান লাইলী, লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা ও বদরুন্নেছা যুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন।
লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণীর জীবন ও কর্মের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুমিল্লা নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণীর জীবনী পাঠ্য বইতে লিপিবদ্ধ, জাতীয় ভাবে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী দিবস পালন ও নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী পদক ঘোষনা করার দাবী জানান।
বক্তারা আরো বলেন, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী ছিলেন নারী শিক্ষা, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান রাখা এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর কর্ম ও অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা, সেমিনার এবং সৃজনশীল কনটেন্ট নির্মাণের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর (বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের একটি শাখা), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং লাকসাম উপজেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন লাকসাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ও সাংবাদিক জাহিদ আনোয়ার শান্ত। দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন ফারাজি এবং যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সাইফুল ইসলাম ও রিয়াদ ভুইয়া।
পরে প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সংস্কৃতিকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।