সোনাইমুড়ীতে তৃণমূল বিএনপির কাছে জনপ্রিয় নাম কুতুব উদ্দিন সানি

আইন আদালত কুমিল্লা চট্টগ্রাম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

সোনাইমুড়ীতে তৃণমূল বিএনপির কাছে জনপ্রিয় নাম কুতুব উদ্দিন সানি

জসিম উদ্দিন রাজ, নোয়াখালীঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলায় তৃণমূল বিএনপি’র জনপ্রিয় নাম মো.কুতুব উদ্দিন সানি।
সোনাইমুড়ী উপজেলার ২নং নদনা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড কালুয়াই গ্রামে ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে মো.কুতুব উদ্দিন সানির জন্ম।
ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি হাতে খড়ি মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতিতে পদায়ন করেন। ছোটবেলা থেকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও মেধাবী ছিলেন এই রাজনীতিবিদ। ১৯৯৬ সালের কলেজ ছাত্র রাজনীতিতে দিয়েছেন সবচাইতে বড় পরীক্ষাটি।
প্রতিপক্ষের চাইনিজ কুড়ালের আঘাতে তার মাথা কয়েক জায়গা দিয়ে ফেটে যায়।
তখন আবার বারবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন এই নেতা,যার কারণে তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন তখনকার সময়ে। তিনি একাধারে কয়েকবার, ২নং নদনা ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তৃণমূল বিএনপি ও তৃণমূল আমজনতার ভালোবাসায় তাকে সিক্ত করেছেন যুগ যুগান্তরে। তিনি একা দ্বারে,সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে ও জেলা বিএনপি’র গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবিতে ছিলেন। মো.কুতুব উদ্দিন সানি বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদে আছেন। বর্তমানে তার জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে, কিছু কুচক্রি মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়াও ফেক আইডি দিয়ে তাকে হেও প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
সম্প্রতি সময়ে, নোয়াখালী ২(সেনবাগ সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিন ফারুক এর সাথে মো. কুতুব উদ্দিন সানি ২৯ মে প্রয়াত শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানে পূর্বের কিছু বিষয় নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি হয়।
পরে আবার একই অনুষ্ঠানে দুজনের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা বা ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়।
পরে দুই নেতাই বলেছেন,তাদের মধ্যে আর কোন বিরোধ নেই। এখন এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বেছে নিয়েছেন, কিছু কুচক্রি মহল। মো. কুতুব উদ্দিন সানির জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে, এ পথ বেছে নিয়েছে তারা।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো.কুতুব উদ্দিন সানি বলেন, গত ২৯ মে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বারগাঁও ইউনিয়নের অনুষ্ঠানে,আমি এবং মাননীয় এমপি জয়নুল আবেদীন ফারুক ভাইয়ের মধ্যে যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে,সেটা সেখানেই সমাধান হয়েছে। দয়া করে বিভ্রান্তিমূলক লেখালেখি থেকে বিরত থাকুন।
তিনি আরো বলেন, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কারো জনপ্রিয়তা নষ্ট করা যায় না।

শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *