
সুন্দরগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারীসহ নিহত-৫
আবু বকর সিদ্দিক, গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পাগলা কুকুরের কামড়ে সুলতানা বেগম (৩৫) নামে আরো ১ নারীর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ জনে।
আহতাবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অন্ততঃ ১৫ জন।
এরআগে এ ঘটনায় বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে যারা মারা গেছেন, তারা হলেন-একই গ্রামের মতিয়ার রহমানের স্ত্রী আফরুজা বেগম (৪০), খোকা রামের স্ত্রী নন্দ রানী (৫৫), নাইব উদ্দিনের ছেলে ফুলু মিয়া (৫২) ও পার্শ্ববর্তী ছাপরহাটী ইউনিয়নের রতনেশ্বর বর্মণ (৪২)। পেশায় কাঠমিস্ত্রী রতনেশ্বর ঘটনার দিন বজরাকঞ্চিবাড়ি এলাকায় কাজে এসে কুকুরের কামড়ে আহত হন।
আহতদের মধ্যে ফজিতন নেছা, রুমিনা বেগম, নজরুল ইসলাম, হামিদুল ইসলাম, গোলেনুর বেগম, মিতু আক্তার, আতিকুর মিয়া, লাবণ্য আক্তার ও বিজয় হোসেনসহ আরও অনেকেই।
এছাড়া, এ ঘটনায় মারা গেছে ২টি ছাগল। চিকিৎসাধীন রয়েছে আরো ছাগল ও গরু।
পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা রোগির পরিচর্যা করায় ও বাইরে হাট-বাজারে চলাফেরা, প্রতিবেশী ও হাটুরেদের সঙ্গে ওঠা-বসা করায় জলাতঙ্কে আক্রান্ত হবার আশঙ্কায় ভুগছেন অনেকেই।
এ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার দিবাকর বসাক বলেন, পাগলা কুকুর কাড়ানো বা জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে আছে।
জলাতঙ্ক মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়না। যদি পাগলা কুকুরের লালা, আঁচড়, কামড় ইত্যাদিতে আক্রান্ত হতে না পারে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, এ ঘটনায় আমরা নিহত ৫ জনের পরিবারে ১০ হাজার টাকা করে অর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। আক্রান্তদের যথেষ্ট খোঁজ-খবর রাখছি।
অপর এক জবাবে তিনি বলেন, আজ (১৩ মে) পৌরসভায় বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু করেছি এ কার্যক্রম ইউনিয়নগুলোতেও চলবে। কুকুর ধরতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোক লাগে। আমরা সে বিষয়ে যোগাযোগ করছি।