
সোনাইমুড়ীতে মব আতঙ্কে গৃহবধূ ও শাশুড়ি
জসিম উদ্দিন রাজ, সোনাইমুড়ীঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী থানার অন্তর্গত ৪ নং বারগাঁ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কাদির মেম্বার বাড়ির গৃহবধূ তাজ নেহার আক্তার ডলি (৩৫) ও শাশুড়ি খোদেজা আক্তার (৫৫) সহ দুই শিশুসন্তান নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে।
সরেজমিনে জানা যায় যে, বিবাদীগণ বেলাল হোসেন জিসান (২৭), তাজুল ইসলাম (৬০), মোস্তফা মিয়া (৫৫), মোরশেদ আলম (২৫) ও ফরিদা আক্তার কাঞ্চন (৫২) এদের ভয়ে আতঙ্কে দিন পার করতেছে গৃহবধূ তাজ নেহার আক্তার ডলি (৩৫) ও শাশুড়ি খোদেজা আক্তার (৫৫) সহ তাদের পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত বিরুদের জেরে এলাকায় বহিরাগতদের নিয়ে প্রতিনিয়ত মব করার চেষ্টা করতেছে বিবাদীগণ।
পক্ষান্তরে, বাদী পক্ষের পুরুষরা প্রবাসে কর্মরত থাকার সুযোগে বাদী পক্ষের মহিলাদের উপর দফায় দফায় হানা দেওয়ার চেষ্টা করে বিবাদীগণ।
জায়গার জমি সংক্রান্ত মামলা কোর্টে চলমান থাকলেও বিবাদীগণ আইনের তোয়াক্কা না করে, সোমবার বিকেল ৫ ঘটিকার সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিবাদীগণ, এই দুই নারীর উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে।
নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ কোর্টের অ্যাডিশনাল পি পি ও বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহমুদুল হাসান শাকিল বলেন, বিবাদীগণ এলাকায় জোর জুলুমবাজ প্রকৃতির টাইপের লোক হয়ে থাকে। তারা কথায় কথায়, বহিরাগতদের নিয়ে এসে এলাকায় মব করার চেষ্টা করে। এই বিষয়ে, সোনাইমুড়ী থানায় কয়েকবার সালিশ আকারে বসলেও বিবাদীগণ টাকা পয়সা দিয়ে সালিশদারদেরকে ম্যানেজ করে ফেলে।
আমরা দুশ্চিন্তায় আছি, যেকোনো সময়ে একটা খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যেতে পারে এবং কি খুন খারাপী পর্যন্ত হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক ফখরুল আলম সাংবাদিককে মুঠো ফোনে জানান, এর আগেও কয়েকবার চেষ্টা করা হয়েছে তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি মীমাংসা করতে।
দফায় দফায় বসার পরও কোন মীমাংসা হয় নাই। শুনলাম গত কালও নাকি মারামারি হয়েছে।
সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কবির হোসেন বলেন, তাদেরকে থানায় এসে সরাসরি অভিযোগ দিতে বলেন। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
উল্লেখ্য, এই সংক্রান্ত আগো একাধিকবার অভিযোগ ও জি.ডি করা হয়েছে। যাহার জি.ডি নং ১২৩২/২৫।