
সুন্দরগঞ্জে ২য় শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণে নেই গ্রেফতার
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ১০ বছরের শিশুর ধর্ষককে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, ২য় শ্রেণির ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা নূর আলম মিয়া প্রতিবেশী সৈয়দ আলী (৫২) নামে একমাত্র আসামী করে মামলা করেছেন।
উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পূর্ব- বেলকা গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে আসামী সৈয়দ আলী ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান ও মামলার তদন্ত কাজ চলছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো বলেন, আহত শিশুকে উদ্ধার করে ডাক্তারি নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরীক্ষা রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে সৈয়দ আলী শিশুটিকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে সুযোগবুঝে এ অঘটন ঘটায়।
স্থানীয়রা ঘটনর পর থেকে ধর্ষক সৈয়দ আলীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবীতে বহুমূখী আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাদী নূর আলম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে না পেয়ে তার বড় ভাই আব্দুল মান্নানসহ অনেকেই জানান, এখন শুনতে পাচ্ছি ঘটনার পর সৈয়দ আলীকে বেলকা ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড জামায়াতের নেতৃত্বস্থানসহ সকল পদ-পদবীতে থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাঁরা ধারণা করছেন, অদৃশ্য কোন সবুজ সংকেতের ফলে আসামীকে এখনো গ্রেফতার হয়নি। আসামী সৈয়দ আলীকে অবিলমাবে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে বলেন, অন্যথায় আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের একাধিক সূত্রে জানা যায়, সৈয়দ আলী বর্তমানে সংগঠনের কোন পদ-পদবীতে নেই।
থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) আবু ইকবাল পাশা ২য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৈয়দ আলী নামে একমাত্র আসামী করে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন-ভিক্টিমের ডাক্তারী নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।