
গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার
আবু বকর ছিদ্দিক, গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে ভাড়াবাসায় স্ত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের পর পুরুষাঙ্গ কাটা আহত স্বামী হারুনকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোবিবার (২৯ মার্চ) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীনাবস্থায় হারুনকে (৩৪) গ্রেফতার করে পলাশবাড়ি থানা পুলিশ।
দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।
এরআগে শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ঢোলভাঙ্গার আমালাগাছী এলাকার একটি ভাড়াবাসা থেকে ববিতা বেগম (৩০) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে , স্বামী স্ত্রী’র ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতা বেগমের পলাতক স্বামী হারুন মিয়াকে রমেক হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ারুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।
ওসি আরও জানান, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেয়া হচ্ছে। তিনি কোনও কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ববিতাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গতকাল রাতেই নিহতের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামী করে নামীয় ৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।