
পাঁচ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে প্রার্থীদের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আরও পাঁচটি সংসদীয় আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছন হাইকোর্ট।
আসনগুলো হলোঃ নারায়ণগঞ্জ-২, নারায়ণগঞ্জ-৩, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট-২ এবং ময়মনসিংহ-১।
আদালত সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ-২ ও ৩ এবং লালমনিরহাট-১ ও ২ আসনের নির্বাচনি নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বিএনপি প্রার্থীর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়মনসিংহ-১ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত।
আবেদনকারী প্রার্থীরা হলেন-ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী দলটির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসাইন ভূইয়া, লালমনিরহাট-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. ফিরোজ হায়দার, লালমনিরহাট-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।
এসব আসনে ভোটগ্রহণে অনিয়ম ও ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ এনে প্রার্থীরা হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্ট আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্য নির্বাচনি সরঞ্জাম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ হেফাজতে রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে সোমবার (২ মার্চ) আরও চারটি আসনে বিএনপি প্রার্থীদের কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
অভিযোগকারী বিএনপির চার প্রার্থী হলেন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনের সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনের এমদাদুল হক ভরসা ও রাজশাহী-১ আসনের মো. শরীফ উদ্দিন।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে আরও বেশ কিছু আসনের ফলাফল ও কারচুপি নিয়ে হাইকোর্টে রিট ও আবেদন জমা দেন রাজশাহীর বিএনপি প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর, পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা–৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা–৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লা ও গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক নির্বাচনি বেঞ্চে এসব আবেদনের শুনানি চলছে বলে জানা গেছে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই আদেশের ফলে ওই আসনগুলোর নির্বাচনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো তথ্য বা প্রমাণ নষ্ট করা যাবে না।