
ঢাকাসহ সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াত নারী নেত্রীদের উপর হামলার নিন্দা
প্রেসবিজ্ঞপ্তিঃ
ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে জামায়াতের এক নারী নেত্রীর ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।
আজ ২৮ জানুয়ারি, দুপুরে ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনের কদমতলী থানাধীন ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টি এলাকায়, নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে জামায়াতের স্থানীয় নারী নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবির ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ডেলটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইবনেসিনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন,
“নির্বাচনী প্রচারণার সময় এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ও সহিংস হামলা গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার দোষীদের গ্রেফতারের জোর দাবী জানাচ্ছি।”
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা প্রদান শুধু বেআইনিই নয়, এটি জনগণের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
বিএনপির নেতৃবৃন্দের উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণেই সারাদেশে এধরনের সহিংস ঘটনা ঘটছে।
ইতিপূর্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের দ্বারা জামায়াতের কর্মীদের ওপর হামলার একাধিক অভিযোগ ও সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের সহিংসতা চালানো হচ্ছে, যা প্রমাণ করে বিএনপি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করে না। এই অপচেষ্টা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও আইনের শাসনকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
আমরা এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।
সহিংসতা দিয়ে জনগণের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। যেকোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।”