গৌরীপুর শ্যামগঞ্জ বাজারে সাইকেল শোরুমে হামলা ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

অর্থনীতি আইন আদালত জাতীয় ময়মনসিংহ সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

গৌরীপুর শ্যামগঞ্জ বাজারে সাইকেল শোরুমে হামলা ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

হুমায়ূন কবির, গৌরীপুরঃ
নেত্রকোনার শ্যামগঞ্জ বাজার এলাকায় একটি সাইকেল শোরুমে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দোকান মালিকসহ তার বাবা ও মা আহত হয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্বধলা উপজেলার লাউখাই গ্রামের বাসিন্দা নিরব মিয়া (২২) গত ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে শ্যামগঞ্জ বাজার শহীদ মিনার রোড এলাকায় তার সাইকেলের শোরুমে অবস্থান করছিলেন।
এ সময় অভিযুক্ত হান্নান মিয়া (৫০) ও রবিকুল (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জন সেখানে এসে তার সঙ্গে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে তারা নিরব মিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করলে তিনি প্রতিবাদ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, তখন হান্নান মিয়া রামদা দিয়ে নিরব মিয়ার মাথা লক্ষ্য করে কোপ দিলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তার বাবা আবুল কালামের মাথায় লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এদিকে রবিকুল লোহার রড দিয়ে নিরব মিয়াকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। এ সময় নিরব মিয়ার মা মোছা. খুদেজা খাতুন এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে অভিযুক্তরা দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে এবং দোকানের ক্যাশবক্স ভেঙে আনুমানিক ২ লাখ টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা মামলা করলে নিরব মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত নিরব মিয়া, তার বাবা আবুল কালাম ও মা মোছা. খুদেজা খাতুনকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নিরব মিয়া জানান, আহতদের চিকিৎসা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার কারণে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
এ ঘটনায় গৌরীপুর থানা পুলিশের কাছে ১৫ মার্চ লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *