ব্রাহ্মণপাড়ায় আমেরিকা প্রবাসীর সম্পত্তি দখলের চেষ্টা পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

অর্থনীতি আইন আদালত কুমিল্লা চট্টগ্রাম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

ব্রাহ্মণপাড়ায় আমেরিকা প্রবাসীর সম্পত্তি দখলের চেষ্টা পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

সৌরভ মাহমুদ হারুন, ব্রাহ্মণপাড়াঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই এলাকার আলী আকবর মুন্সি বাড়িতে আমেরিকা প্রবাসী এক ব্যক্তির পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় প্রবাসীর পরিবারকে নানা ভাবে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিদলাই আলী আকবর মুন্সি বাড়ি এলাকার শফিকুল ইসলাম গং ও মৃত সুন্দর আলী গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে আমেরিকা প্রবাসী সাংবাদিক মো. সাইফুল ইসলামের পিতার মালিকানাধীন সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা চালাচ্ছে প্রতিপক্ষরা।

উক্ত সম্পত্তির খতিয়ান নং-৩৪০২, বিএস খতিয়ান নং-২৫৭৫ এবং দাগ নং-৭৩১৮ ও ৭৩২৪; মোট জমির পরিমাণ প্রায় ১৫ শতক।

এ নিয়ে গত ৭ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে কুমিল্লা দক্ষিণ আদালতের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন প্রবাসী সাইফুল ইসলামের বড় ভাই সোহরাব হোসেন (৩২)।

মামলার আসামিরা হলেন—শিদলাই ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে নানু মিয়া (৫৫), অলি উল্লাহ মেন্টু (৫০), বেদন মিয়া (৪৬), মৃত আবদুল মতিনের ছেলে মহসিন (৩৪) এবং মো. জুয়েল রানা (৩২)। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও গত ২১ জানুয়ারি সকালে বিবাদীরা বহিরাগত লোকজন ভাড়া করে বাদীর বাড়ির দক্ষিণ পাশে পুকুর পাড়ের একাধিক গাছ কেটে নিয়ে যায়।

এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

পরবর্তীতে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়।

এরপর বাদী ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

এ ঘটনায় প্রবাসীর পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার তদন্ত ওসি টমাস বড়ুয়া বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একজন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএসআই কামরুজ্জামান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কিছু লোক গাছ কাটছিল। দুই পক্ষকেই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।”


শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *