লালমাইতে ভুশ্চি-কাশিনগর সড়ক সংস্কার দাবিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগে আবেদন

অর্থনীতি কুমিল্লা চট্টগ্রাম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

লালমাইতে ভুশ্চি-কাশিনগর সড়ক সংস্কার

দাবিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগে আবেদন

​ লালমাই প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার লালমাই উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী ভুশ্চি বাজার সংলগ্ন মিয়া বাজার-কাশিনগর-ভুশ্চি-হরিশ্চর পাকা সড়কের কাশিনগর হতে হরিশ্চর অংশটি চরম বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা।
সড়কটির দ্রুত সংস্কার ও মেরামতের দাবিতে সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ), কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
​ভূশ্চি বাজার পরিচালনা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী ভূশ্চি বাজারটি লালমাই উপজেলার অন্যতম প্রধান প্রাণকেন্দ্র। সপ্তাহে ৭ দিনই এখানে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে। বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদ্রাসা থাকা সত্ত্বেও সড়কটি বর্তমানে চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে বর্ষাকালে সড়কটিতে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্ত ও জলাবদ্ধতার কারণে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে।
​স্থানীয়দের পক্ষে ৪নং ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন (গ্রাম: বারাইপুর) লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেন, সড়কটি মেরামত করা হলে ভুশ্চি বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিপুলভাবে উপকৃত হবে।
এ বিষয়ে ইতিপূর্বে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ লাভ করলেও দ্রুত দৃশ্যমান কোনো কাজ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।
​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সড়ক সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। মাওলানা আমীর হামজা নামে স্থানীয় এক নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, “দীর্ঘ ৬ মাসেরও বেশি সময় ধরে সড়কটির এই বেহাল দশা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান দেখা যাচ্ছে না।
অতি দ্রুত কাশিনগর রোড, লাকসাম রোড ও ভুশ্চি বাজার থেকে পরতীগামী সড়ক সংস্কার করা না হলে এলাকার জনগণ প্রতিবাদী কর্মসূচে যেতে বাধ্য হবে।”
​সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনা করে অবিলম্বে সওজ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং কাশিনগর বাজার হতে হরিশ্চর বাজার পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভূশ্চিবাসী।

শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *