
ভোলায় মৃত ব্যক্তির নামে বেতন তোলার সাথে জামায়াত
নেতাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ
প্রেসবিজ্ঞপ্তিঃ
ভোলার তজুমদ্দিনে নামের মিল থাকায় মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার এক মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর জালিয়াতি করে জামায়াত নেতা ২০ বছর ধরে বেতন তুলছেন মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ভোলা জেলা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ জাকির হোসাইন ও সেক্রেটারি মো. হারুনুর রশিদ আজ ২ আগস্ট রোববার এক বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, “জালিয়াতি করে একটি মাদরাসা থেকে ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ তুলে মো. মহিউদ্দিন নামে এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রচারিত হয়েছে, যা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা, বানোয়াট, প্রোপাগান্ডা ছাড়া আর কিছুই নয়।
তারা আরও বলেন, আমরা খবর নিয়ে জানতে পেরেছি যে, তজুমদ্দিন মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় দীর্ঘদিন পর্যন্ত শিক্ষকতা করে আসছেন জনাব মো. মহিউদ্দিন।
হঠাৎ করে দীর্ঘ ২০ বছর পর তার নিয়োগ নিয়ে এ ধরনের প্রোপাগান্ডা তার মানহানি করাই মূল উদ্দেশ্য। আমরা আরও জানতে পেরেছি যে, অত্র মাদরাসার সুপার নুরুজ্জামান অনেক বছর আগেই সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন।
এ ধরনের ঘটনা থাকলে অবশ্যই তিনি যথাসময়ে ব্যবস্থা নিতেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তিনি তা না করে সম্মানিত ও জনপ্রিয় শিক্ষক মহিউদ্দিনের সাথে ব্যক্তিগত রেষারেষির জেরে এবং রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের হীন উদ্দেশ্যে এ ধরনের প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন বলে আমরা অবগত হয়েছি।
নেতৃদ্বয় বলেন, এ ধরনের ঘটনার প্রকৃত বিষয় জেনে সত্য তুলে ধরে ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য গণমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীলতার সাথে খবর পরিবেশন করার আহ্বান জানাচ্ছি। যিনি এ ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জামায়াত নেতা মহিউদ্দিনের সম্মানহানি করে চলেছেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তা প্রেরক-
মো. হারুনুর রশিদ
সেক্রেটারি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
ভোলা জেলা শাখা।