মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা আটক

আইন আদালত জাতীয় ঢাকা সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

 মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা আটক

মোস্তফা কামাল মজুমদারঃ

আশুলিয়ায় নিজ মেয়ে নিপুণ (১৪) নামের দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগে সুলতান (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়ে তার বাবার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট দুদু মার্কেট সংলগ্ন এলাকার মাসুদের ভাড়া বাসা থেকে সুলতানকে আটক করা হয়।

আটক সুলতান বরিশাল জেলার মুলাদি থানার বাটামারা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট দুদু মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

ভুক্তভোগী মেয়ের অভিযোগ, তার মা প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসবাস করতেন।

মায়ের অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার বাবা গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছিলেন।

 

ধর্ষণে বাধা দিলে মেয়েকে মারধর করতো এবং কাউকে কিছু না বলার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতো।

ভুক্তভোগী আরো বলেন, সোমবারও আমার বাবা আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন আমি কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে আমার কর্মস্থলে চলে যাই। সেখানে সহকর্মীদের পুরো ঘটনা খুলে বলি।

 

পরে তারা আমাকে সহযোগিতা করে এবং আমার বাবাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

ভুক্তভোগী মেয়েটি তার বাবার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, আমি আমার বাবার এই ঘৃণ্য ও ন্যক্কারজনক কাজের জন্য আইনের কাছে সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, যেন আর কোনো মেয়েকে নিজের ঘরে এমন নির্যাতনের শিকার হতে না হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সুলতান তার মেয়েকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করাতেন।

 

এছাড়া তার প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করানোর অভিযোগও রয়েছে।

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

 

পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে আসে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সুলতান নামে এক ব্যক্তিকে থানায় আনা হয়েছে।

 

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও ঘটনাসংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই-বাছাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *