
সোনাইমুড়ীতে প্রতিবেশীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এক পরিবার
জসিম উদ্দিন রাজু, সোনাইমুড়ীঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীর উপজেলার ৪নং বারগাঁ ৫নং ওয়ার্ড কাদির মেম্বার বাড়ীর তাজনাহার আক্তার ডলির পরিবারের উপর জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয় সহ তুচ্ছ ঘটনায় মধ্যযুগীয় কায়দা অত্যাচার করছে, প্রতিবেশী তাজুল ইসলাম এর ছেলে বেল্লাল হোসেন জিসান (২২), জাফর আহমদ এর ছেলে মেহেরাজ আহম্মেদ মিম (২৬), মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে তাজুল ইসলাম (৫০) তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার কাঞ্চন (৪৫) তাদের মেয়ে উম্মে হানি নিশি (২০) ও জাফর আহম্মেদ এর স্ত্রী লাকি আক্তার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন থেকে জায়গা জমি ও বাড়ির চলাচলের রাস্তা সহ না বিষয়ে তাজনাহার আক্তার ডলির পরিবার জুলুমের শিকার হচ্ছে বিবাদী গং এর দ্বারা। তাজনাহার আক্তার ডলির স্বামী গিয়াস উদ্দিন ও বাসুর নিজাম উদ্দিন প্রবাসে থাকার সুযোগে পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া সৃষ্টি করে বিবাদীগণ।
সাম্প্রতিক সময়ে, জোরপূর্বক তাদের জায়গা থেকে বিভিন্ন প্রকারের গাছ কর্তন করে নিয়ে যায় বিবাদীগণ।
শুধু তাই নয়, মামলার বাদী তাজনাহার আক্তার ডলির বাঁধা দিলে তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা,মারধর করে তারা এবং ঐ মুহূর্তে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বৃদ্ধ শাশুড়ি খোদেজা বেগমকে (৬০) এলোপাতাড়ী পিটাইয়া মারাত্মক ফুলা ও বেদনা দায়ক জখম করে।
পরে এক পর্যায়ে বিবাদীগণ তাদের মোবাইল সহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তাদের আত্মচিৎকারে আশেপাশের প্রতিবেশীরা আসলে বিবাদীগণ দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
নোয়াখালী দায়রা জজ কোর্টের এডিশনাল পি পি ও বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহমুদুল হাসান শাকিল বলেন, শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণ, মোবাইলসহ মালামাল লুটের ঘটনা সত্যতা স্বীকার করেন তিনি।
এসময় তিনি আরো বলেন, আদালত থেকে সোনাইমুড়ী থানাকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি তদন্ত আরিফ বলেন, আমাদের তদন্তকার্য এখনও চলমান প্রক্রিয়া রয়েছে। তদন্ত শেষে সঠিক ঘটনা জানা যাবে।