সুন্দরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে পরিকল্পিত অপহরণ মামলার চার্জশীট দাখিলের আবেদন

আইন আদালত জাতীয় শিক্ষা সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

সুন্দরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে পরিকল্পিত অপহরণ মামলার চার্জশীট দাখিলের আবেদন

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে পরিকল্পিত অপহরণ মামলার ১ বছর ৩ মাস পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ সুপার বরাবরে আবেদন করেছেন বাদী।
 গত ২২ এপ্রিল বেশ কিছু আলামতের নমুনা সংযুক্ত আবেদন করে মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অধিকতর তদন্ত পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ আবেদন করা হয়।
মামলার বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক আবেদনে উল্লেখ করেন ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় ২০ বছর বয়সী মামলার ৫ নম্বর আসামী প্রতিবেশী মেয়েকে লেলিয়ে দিয়ে তারই মাধ্যমে বাদীর ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে (৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে) চক্রমহল পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে অপহরণের ঘটনা ঘটায়।
এতে জড়িতদের কিছু মোবাইল নম্বর (ইমো, হোয়াটসএ্যাপ, ফেইসবুক ইত্যাদি) উল্লেখ করে গাড়িচালকসহ অজ্ঞাত নামাসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক পরবর্তী ১৯ ফেব্রুয়ারী সংশ্লিষ্ট আইনে থানায় মামলাটি দায়ের করেন অপহৃতার পিতা আবু বক্কর সিদ্দিক। যার নং- ২৭, জিআর মামলা নং- ৫১। ঘটনায় ৫ নম্বর আসামীর সঙ্গে পরিকল্পনাকারীসহ অপহরণকারী চক্রের ইমো, হোয়াটসএ্যাপ, ফেইসবুকসহ অনলাইন মাধ্যমে দীর্ঘ যোগাযোগের সূত্র মিলেছে বলে স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয়।
এছাড়া, ৫ নম্বর আসামী, অপহরণকারী চক্র ও জমিজমা সম্পর্কিত বাদীর ভাই-বোন, ভাতিজা-ভাগ্নে, বোয়াসিনসহ অপর একটি চক্রের যোগসূত্র আছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রমাণসহ ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়।
এছাড়া, মামলাটির পূর্ববর্তী আইও এসআই আবু সাঈদ অপহরণে নানাভাবে জড়িতদের পারস্পরিক যোগাযোগ, কথোপকথনের দীর্ঘ কলতালিকা উদ্ধার করেন।
পরবর্তীতে মামলিটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রুহুল আমীন ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেপ্তার, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নামে রহস্যময় দীর্ঘ গড়িমশি করেন। সখ্যতা গড়েন ঘটনায় জড়িত আসামী, পরিকল্পনা ও অপহরণকারীদের সঙ্গে।
অবশেষে দীর্ঘ ৬ মাস ২১ দিন পর দিন-দুপুরেই উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সমস গ্রামের একটি বাড়ি থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধার ও একজন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হন। এ নিয়ে আসামী ও জড়িতদের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ ও প্রমাণ দেখিয়ে বলেছেন- ‘যা করেছি, মামলার আইও’র পরামর্শেই করেছি, এ মামলায় এ পর্যন্ত ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছে কী- মাংনায়’। এরআগে ২০ বছর বয়সী ৫ নম্বর আসামীকে গ্রেপ্তারের নামে ও জালিয়াতিমূলক শিশুসনদ (জন্মসনদ) দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ্দ করলে তাৎক্ষণিক জামিনপ্রাপ্ত হয়। এরআগে বাদী কর্তৃক প্রদত্ত এ আসামীর প্রকৃত অনলাইন জন্ম ও স্কুলসনদ হাতে নিলেও এসআই রুহুল আমীন রহস্যজনক কারণে তা ব্যবহার করেননি।
গ্রেপ্তারের পর এ আসামীকে কিছুই জিজ্ঞাসাবাদ, মোবাইলফোনে অপরাধীচক্রের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে কোন তথ্য-উপাত্ত উদঘাটন না করে আদূরে মেয়ের ন্যায় তার মায়ের সঙ্গে থাকতে দেন।
মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অধিকতর তদন্ত পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করতে গত ২২ এপ্রিল বেশকিছু তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণাদীসহ পুলিশ সুপার বরাবরে আবেদন করেন বাদী।
 পরিকল্পিত অপহরণের সংক্ষিপ্ত রহস্য- বাদী তার ২ মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা ওরফে আঁখি ওরফে ববিতা (এমবিএ অধ্যয়নরত) ও উম্মে হাবিবা সিদ্দিকা ওরফে দৃষ্টি ওরফে কবিতার (৯ম শ্রেণীর ছাত্রী) নামে বসতভিটা, দোকানসহ কিছু জায়গা-জমি দলিল করে দেন। ঐসব স্থাপনাসহ জায়গা-জমি হস্তগত করতে আল-আমিনের ছোট ছেলের সঙ্গে অপহৃতার বিয়ে দেয়া ও ১৭ ফেব্রুয়ারি বৃদ্ধা মাকে সাব-রেজিঃ অফিসে নিয়ে গিয়ে ১৩৮৯/২৫, ১৩৯০/২৫ ও ১৩৯১/২৫ নম্বর দলিলে মেয়েদের নামীয় জমিসহ বাদীর বসতবাড়ি, দোকান ও ফসলী জমির তফশীল বর্ণনায় ২৬ শতক জমি দলিল করে নিতেই আল-আমীন তার স্ত্রী, ২ ছেলে ভাই-ভাতিজা, বোন-ভাগ্নেসহ প্রতিবেশী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ পরিকল্পনা মাফিক আগের দিনগত সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ৫নম্বর আসামী মাধ্যমে শোভাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মোড়ে ডেকে এনে ভিকটিমকে অপহরণের ঘটনা ঘটায়। উক্ত ২৬ শতক জমি ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বাদীর পিতা জীবদ্দশায় বাদীকে দলিল করে দেন। যার দলিল নং- ২১৮৯/২০।
 বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান,আল-আমীন তার স্ত্রী, ২ ছেলে বড় ভাই, ভাতিজা, ভাগ্নে, বোনদেরসহ কয়েকজন ও মামলার ৫ নম্বর আসামীকে নিয়ে দীর্ঘ পরিকল্পনানুযায়ী আমার  মেয়েকে দিনের জন্য অর্থাৎ আমার জমি বৃদ্ধা মায়ের কাছ থেকে দলিল করে নেয়া, চারিত্রিক কুৎসা রটিয়ে ফিরে এনে তার ছোট ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তগত করতেই পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। যা স্থানীয় পর্যায়ে নানাভাবে জানাজানি হচ্ছে বলে জানতে পাচ্ছি। বর্তমানে আল-আমীন একটি রাজনৈতিক দলের নেতা পরিচয় দিয়ে আমার পরিবারসহ পাড়াবাসীকে পুলিশী হয়রাণীর ভয় ও অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে রেখেছে।
কেউ ন্যায়-নীতির কথা বললেই তাকে প্রকাশ্যে খুন, মিথ্যা মামলায় ফেলানোর প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করছে। আর আমার স্বত্ব-দখলীয় জমিজমার ফসলাদী ভোগ করছে। ইতঃমধ্যে ঐ রাজনৈতিক দলে আল-আমীনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে উপজেলা ও ছাপড়হাটী ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে কোন ফল হচ্ছেনা। এমনকি, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় দিয়ে আল-আমীনের রাজনৈতিক দলে পদ-পদবী, অসহনীয় প্রভাবের রহস্য জানতে চাইলেও সে তথ্য দিচ্ছেনা।
তবে, রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থক পরিচয় দিয়ে একাধিকস্তরে ফোন করে আল-আমীনের দায়েরকৃত একের পর এক মিথ্যা মামলা, অভিযোগ, জমির নামজারী (খারিজ), জবরদখল বিষয়ে সবুজ সংকেত দিচ্ছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পাচ্ছি। বাদী মনে করেন, তার অরাজনৈতিক পরিবারে রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে আল-আমীন যে ক্ষয়ক্ষতি করছে তা রাজনৈতিকভাবে মানবাধিকার লংঘনের সামিল।
বাদীর মেয়ে শিক্ষা জীবনে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ ছাড়া তার পরিবারে কোন প্রকার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। তাছাড়া, বাদীর সম্পদ লুন্ঠন, চাঁদাবাজী, জমির ফসলের অর্থ দিয়ে ৩ দলের (৩টি রাজনৈতিক দলের) স্থানীয় লোকজনের মাঝে ব্যায়বহণ করছে বলে আল-আমীনের কোন ভয় নেই বলে হুমকির সঙ্গে এমন কথা বলছে।
বাদী বলেন, আল-আমীন দীর্ঘদিন থেকে নানান কু-কর্মে লিপ্ত থাকায় আমার মেয়েকে অপহরণের পর মাত্র ৭ দিনের চুক্তিভিত্তিক তার কু-কর্মে জড়িতদের হাতে রেখে মুক্তিপণ আদায়, চারিত্রিক কুৎসা রটিয়ে ফিরে এনে তার ছোট ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়া, সম্পত্তি হস্তগত করা, বাদী ও তার মেয়েদ্বয়ের নামীয় জমি বৃদ্ধা মাকে দাতা বনিয়ে দলিল করে নেয়া পর্যন্ত ভিকটিম আল-আমীনের পরিচিত অপহরণকারীদের হাতে জিম্মি থাকবে। সে মোতাবেক অপহরণের পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বড়ুয়াবাজারে বাদীকে না জানিয়ে সালিশের নামে আরেক নাটক সৃষ্টি করে আল-আমীন। আর এ সালিশে ভিকটিমকে উপস্থিত করার আগেই ভিকটিমের নামে ও তার বাবার নামীয় জমি-জমা ও আল-আমীনের সমস্ত পরিকল্পনার কথা জানতে পেয়ে অপহরণকারীরা। ফলে, তারা ভিকটিমকে আর ফিরে দেননি। বিষয়টি বুঝতে পেয়ে অপহরণকারীদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দফায় দফায় টাকা হাতাতে থাকে আল-আমীন। এসব কু-কর্ম ঢাকতে ও জমি-জমা, বসতবাড়ি, দোকানসহ জায়গাজমি হস্তগত করতে প্রকৃত তথ্য গোপন করে, বিকৃত তথ্য দেখিয়ে আমাকেসহ আমার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা, অভিযোগ, নানান ষড়যন্ত্রসহ ক্ষয়ক্ষতি করছে। বৃদ্ধা মা ও ছোট ছেলে আশরাফুলকে মেরে ফেলার হুমকিতে জিম্মি করে মাকে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা সাক্ষ্যদানে বাধ্য করছে। এসব ঘটনায় বহুবার স্থানীয় সালিশ ও অভিযোগ মর্মে তদন্তে আসা পুলিশের উপস্থিতিতেই বে-পরোয়া হয়ে প্রকাশ্য ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করছে আল-আমীন ও তার সহযোগীরা।
 মামলার বাদী আরো বলেন, এসআই রুহুল আমীন অপহৃতাকে উদ্ধার, আসামীসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার ও মামলার সুষ্ঠু তদন্তের ব্যাপারে দ্বৈত্য ও রহস্যজনক ভূমিকা বুঝতে পেয়ে বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করে তাকে পরিবর্তনের আদেশ প্রার্থনা করেছি। কিন্তু, পরিবর্তন হয়নি। এসব ঘটনায় প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন অপহৃতার বাবা বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক।
থানা অফিসার ইনচার্জ- শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ্ বলেন- নতুন এসেছি, মামলাটি সম্পর্কে অবগত হয়ে চার্জশীটের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন জানান, তাং-১২/০২/২০২০ইং। এ জমি জমার কিছু অংশ দন্তসত করতে গত ১৭/০২/২০২০ ইং তারিখে বৃদ্ধা মাকে সুন্দরগঞ্জ সাব-রেজিঃ অফিসে নিয়ে গিয়ে ১৩৮৯/২৫, ১৩৯০/২৫ ও ১৩৯১/২৫ নং কারসাজিমূলক ৩টি কবলা দলিল করে দেয়া, আমার কাছ থেকে মুক্তিপণ চাঁদাবাজীর মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া এবং মিথ্যা চারিত্রিক কুৎসা ছড়িয়ে আমার মেয়ে উম্মে হাবিবা সিদ্দিকা দৃষ্টি কবিতাকে ফিরে এনে নিম্ন বর্ণিত ১নং অভিযুক্ত মোঃ আল-আমীনের দ্বিতীয় পুত্র মোঃ আশিক মিয়া ওরফে রানু মিয়া (১৯) এর সঙ্গে বিয়ে দেয়ার দীর্ঘ পরিকল্পিত ভাবে অত্র মামলার ৫নং আসামী রনজিনাকে লেলিয়ে দিয়ে তারই মাধ্যমে গত ১৮/০২/২০২৫ইং তারিখ সন্ধ্যা-৬.৩০ ঘটিকায় আমার মেয়ে ভিকটিম উম্মে হাবিবা সিদ্দিকায়ে দৃষ্টিতে কবিতাকে শোভাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ মোড়ে ডেকে এনে মামলায় বর্ণিত আসামীদেরকে অপহরণে সহযোগিতা করে।
অপহরণকারী সংঘবদ্ধ চক্র ও ৫নং আসামী রনজিনার সঙ্গে অত্র অভিযোগে বর্ণিত ১। মোঃ আল-আমীন (৪৭), পিতা-মৃত ইব্রাহিম আলী, মোবাইল নং-০১৭০৬-৮৫৭৯৩০, ০১৩৪৩-৫৯৪৯৫৮, ০১৮২৪-৫০৬৮৩২ সহ আরো, এনআইডিনং-৮৬৬৮৭৭৭২৮ (২) মোঃ আঙ্গুর মিয়া ওরফে খোরশেদ (২৯), পিতা-মোঃ গোলজার রহমান, মোবাইল নং-০১৭০৪-২১৭৩৮০, ১৯৬৫৮৮৮০৬৪ (আরো), এনআইডিনং-১৯৩৯১৫৬১১১, ৩। মোছাঃ শারমিন খাতুন (৪২), স্বামী-মোঃ আল-আমীন, জাতীয় পরিচয়পত্র নং -৫৯৬৮৩৪২৪, ৪। মোঃ রাজু মিয়া (২০), পিতা-মোঃ আল-আমীন, মোবাইল নং-০১৭০৭-৫৫৫১০৬, ৫। মোঃ গোলজার রহমান (৬০), পিতা-মৃত ইব্রাহিম আলী, সর্বসাং-উত্তর মরুয়াদহ, ৬। মোছাঃ জয়গুন বেগম (৫৫), স্বামী-মোঃ মোজাফফর হোসেন, মোবাইল নং-০১৭৮০-৪১১৯৩৩ (আরো), জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৭৭৬৮৩৬১৭৬, সাং-পশ্চিম ছাপড়হাটী, সফলের থানা-সুন্দরগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধাগন ৫নং আসামীকে ব্যবহার করে/লেলিয়ে দিয়ে উক্ত দিনক্ষনে মামলার আসামীদেরকে আমার মেয়ে ভিকটিম উম্মে হাবিবা সিদ্দিকা দৃষ্টি কবিতাকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণের পর গত ১৯/০২/২০২৫ইং তারিখে অত্র উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বড়ুয়ার বাজারে একখান্য সালিশনামা প্রস্তুত করে। অভিযুক্ত আল-আমীন, জয়গুন, আঙ্গুর ও শারমিন আমার কাছ থেকে ৩,০০,০০০/-(তিনলক্ষ) টাকা মুক্তিপন/চাঁদা দাবী করে। আমি সরল বিশ্বাসে অভিযুক্তদেরকে মামলার সাক্ষী ও ভিকটিম উদ্ধারে আমায় গৃহীত পদক্ষেপ আসামীপক্ষকে জানানোর ফলে দীর্ঘ ৬ মাস ২১ দিন পর উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, আমার বড় মেয়েকে দিয়ে জয়গুনের ২ নম্বর ছেলেকে বিয়ে দিতে ব্যর্থ হওয়া, আমার বিষয় সম্পত্তি যন্তগত করা, চাঁদাবাজি করা, মায়ের কাছ থেকে জমি জমা দলিল করে নেয়াসহ নানান পরিকল্পনা মাফিক এ অপহরণের সূত্রপাত ঘটিয়েছে।
বিগত ১২/০২/২০২০ইং তারিখে ২১৮৯/২০ নং দলিল সম্পাদনের সময় গরু চুরি মামলায় আল-আমীন জেল হাজতে থাকলেও বাবার অনিচ্ছাকৃত আমিই উক্ত দলিল আল-আমীনের নামেও জমি লিখে নিয়ে দিয়েছি। অন্যান্য তথ্যাদি বাচনিকভাবে প্রমাণ করা হবে। অতএব, অভিযোগ গ্রহণ করতঃ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার একান্ত মর্জি হয়। সংযুক্তি- ১১। মামলার কপি ২ পাতা ১২। ভিকটিম উম্মে হাবিবা সিদ্দিকা দৃষ্টিতে কবিতার স্বহস্তে লিখিত জবানবন্দি ২ পাতা। ৩৩। বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি প্রত্যাহার পূর্বক নতুন করে জবানবন্দি দাখিলের প্রার্থনা ২ পাতা। ৪। আসামী মমিন এর জামিনের আদেশ ২ পাতা। ৮৫। আদালতের আদেশ ২ পাতা। জমি জমা সম্পর্কিত ও পরিকল্পিত অপহরণের প্রমাণ স্বরূপ দলিল নং ১০৭, তাং- ২০/০১/২০২৫ইং এর ১১ পাতা, দলিল নং-১১৮৯, তাং- ১২/০২/২০২০ইং এর ৯ পাতা, দলিলনং-১৩৮৯, তাং- ১৭/০২/২০২৫ইং এর ১০ পাতা, দলিল নং-১৩৯০, তাং- ১৭/০২/২০২৫ইং এর ১১ পাতা, দলিল নং-১৩৯১, তাং-১৭/০২/২০২৫ইং এর ১১ পাতা। ১/৭।
কারসাজিমূলক সালিশের কপি ও পাতা। নিবেদক- শং-২/08/2022 মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (সাংবাদিক) পিতা-মৃত ইব্রাহিম আলী ও ফয়জার রহমান সাং- উত্তর মরুয়াদহ, থানা- সুন্দরগঞ্জ, জেলা- গাইবান্ধা। মোবাঃ ০১৭৩৮-৪২৯৪১৮, ০১৭৫১-৪৪৪৭২৮।

শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *