সিটি মেয়র পদে ঢাকায় ভিপি সাদিক কাইয়ুম ও চট্টগ্রামে নজরুল ইসলাম আলোচনায়

আইন আদালত কুমিল্লা চট্টগ্রাম জাতীয় ঢাকা রাজনীতি রাজশাহী সারাদেশ
শেয়ার করুন....,

সিটি মেয়র পদে ঢাকায় ভিপি সাদিক কাইয়ুম ও চট্টগ্রামে নজরুল ইসলাম আলোচনায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ঈদুল ফিতরের পরপরই তফসিল ঘোষণা হতে পারে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের। এরই মধ্যে সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীও।

জানা যায়, এরই মধ্যে প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূল নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় জামায়াত। একই সঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কাছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকাও দিতে বলা হয়েছে।

জামায়াত সূত্রে জানা যায়, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আলোচনায় আছেন ডজনখানেক নেতা, যাদের বেশিরভাগই তরুণ। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে নেমে পড়েছেন। একাধিক নেতাকে নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে। এখন কেন্দ্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

ঢাকা উত্তর সিটিতে আলোচনায় আছেন ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ডা. এসএম খালিদুজ্জামান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ও ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম। তাদের কেউ কেউ এরই মধ্যে জনসংযোগ শুরু করেছেন।

আর ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আলোচনায় আছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ড. আব্দুল মান্নান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সিটিতে আলোচনায় আছেন সংসদ সদস্য শাজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আ ম ম মশিউর হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী ও অধ্যক্ষ নুরুল আমিন।এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সিটি করপোরেশনে মেয়র বা অন্যান্য পদে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রস্তাব অধস্তন (তৃণমূল) সংগঠন থেকে আসবে। আমরা চূড়ান্ত ঘোষণা দেব কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা অধস্তন শাখাগুলোকে পরামর্শ দিয়েছি। তাদের বলেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বসে আলোচনার করে প্রার্থীদের একটা প্যানেল যাতে দেওয়া হয়। সেই প্যানেল পাওয়ার পর আমাদের ফোরামে আলোচনা করে প্রার্থী চূড়ান্ত করব।’

এদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের দলগুলো সম্মিলিতভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লড়বে কি না, সেটা নিয়েও আলাপ-আলোচনা চলছে। যদিও দলগুলো বলছে, সম্মিলিত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। তবে আলোচনার টেবিলের চূড়ান্ত ‘নেগোসিয়েশনের’ বিষয়ে জানতে আরো কিছু সময় আপেক্ষা করতে হবে।


শেয়ার করুন....,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *