
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য
করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা
মো আনিছুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া গণপূর্ত বিভাগের এক উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও এক কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণকাজের বিলের প্রতিবেদন না দেওয়া, পরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে ভুয়া প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন এক ভুক্তভোগী।
লিখিত আবেদনে সদর উপজেলার মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. স্বপন মিয়া উল্লেখ করেন, একটি নির্মাণকাজের পাওনা বিল নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় আদালতের নির্দেশে গণপূর্ত বিভাগকে বাদীর চুক্তি অনুযায়ী সাটারিং মালামালের ভাড়া সহ নির্মাণকাজের মূল্যায়ন প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন না দিয়ে তাকে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন এবং কম্পিউটার অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম তার কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘুষের টাকা দেওয়ার পরও আদালতে প্রকৃত তথ্যের পরিবর্তে নির্বাহী প্রকৌশলীর স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে একটি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকৃত তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন দাখিলের ব্যবস্থা করতে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।অভিযুক্তরা ঘুষ গ্রহন ও সাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ গ্রহণ ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী জহির রায়হান বলেন, “যারা স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষর জালিয়াতির প্রমান পাওয়া গেছে,তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।