
লাকসামে ‘দুর্বার দুরন্ত ই-বাইক সেন্টার’-এর শুভ উদ্বোধন
লাকসাম প্রতিনিধি:
কুমিল্লার লাকসামে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক যানবাহারের প্রসারে যাত্রা শুরু করেছে ‘দুর্বার দুরন্ত ই-বাইক সেন্টার’।
উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ, দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।
রোববার (২৮ জুন) লাকসাম উপজেলার উত্তর পশ্চিমগাঁও চৌরাস্তায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন মুশু, লাকসাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস, সিনিয়র সাংবাদিক মশিউর রহমান সেলিম, লাকসাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, লাকসাম প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রশিদ, সাংবাদিক আবুল হোসেন বাবুল, নূরে আলম মানিক, খোরশেদ আলম, জি.এম.এস. রুবেল, জাহিদ, আব্দুল জলিল, মাহবুবুর রহমান, ইউনুস মজুমদার, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, হুমায়ুন কবির, ঠিকাদার মন্টুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে অতিথিরা ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন এবং প্রদর্শনীতে থাকা বিভিন্ন মডেলের ইলেকট্রিক স্কুটি ঘুরে দেখেন।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, এখানে বাংলাদেশের স্বনামধন্য প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির রাইডো (Rido) ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক স্কুটিসহ চীন থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন আধুনিক মডেলের ই-বাইক ও স্কুটি বিক্রি করা হবে। গ্রাহকদের জন্য বিক্রয়োত্তর সেবা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী সেলিম চৌধুরী হীরা বলেন, “বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব যানবাহারের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশও সেই পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আপনি মানুন আর না মানুন, ইলেকট্রিক বাইকই ভবিষ্যতের বাহন।
এতে জ্বালানি খরচ নেই বললেই চলে, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কম, পরিবেশ দূষণ হয় না এবং তুলনামূলক কম গতির কারণে এটি অনেক বেশি নিরাপদ। লাকসামের মানুষের কাছে উন্নতমানের ও নির্ভরযোগ্য ইলেকট্রিক স্কুটি পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ সময়োপযোগী। তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘দুর্বার দুরন্ত ই-বাইক সেন্টার’ লাকসামের মানুষের কাছে আধুনিক, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ যাতায়াতের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।