
বরুড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
সৌরভ মাহমুদ হারুন, কুমিল্লাঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে কুমিল্লার বড়ুরায় উপজেলায় ব্যাপক ফলদ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও উপকারী বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ২টায় লিড লিভিং ইকোনমি অব এগ্রো প্রসেস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড-এর উদ্যোগে বড়ুরা উপজেলা প্রশাসন প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়ুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান রনি।
তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে দেশব্যাপী সবুজায়ন আন্দোলন আরও বেগবান হবে।
সংগঠনের চেয়ারম্যান ও দৈনিক কালবেলার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি মো. জহিরুল ইসলাম মারুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. জুয়েল রানা মজুমদার।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হাসান।
এ সময় বড়ুরা উপজেলা প্রশাসনের বিআরডিবির অফিস সহকারী খন্দকার হুমায়ূন কবিরসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে মো. জহিরুল ইসলাম মারুফ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সংগঠন কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলার জনবহুল সড়ক, সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রাথমিকভাবে অন্তত পাঁচ হাজার ফলদ বৃক্ষের চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে আম, জাম, কাঁঠাল, জলপাই, ডালিম, লেবু, দেশীয় বরই, নিম, সজনা, আমড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও উপকারী বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।
উপস্থিত অতিথিরা এ ধরনের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।