
সোনাইমুড়ীতে লাঠি আতঙ্কে প্রধান শিক্ষক
জসিম উদ্দিন রাজ, নোয়াখালী উত্তরঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার ৩ নং চাষিরহাট ইউনিয়নের অন্তর্গত ভূঁইয়ার বাজার হনুফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন লাঠির আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সরজমিনে গেলে জানা যায় যে, উপজেলার ৩নং চাষিরহাট ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড সাহারপাড় খোকা মেম্বার বাড়ীর জাকির হোসেন এর ছেলে জাহিদুল ইসলাম শুভ (১৮) ভূঁইয়ার বাজার হনুফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এর লাঠির আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন (৫১)।
জানা যায় যে, গত ১৬ জুলাই ২০২৬ ইং সারা দেশের ন্যায় জুলাই শহীদদের সরণে বিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠান ছিলো।
তখন অন্যান্য ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীদের একত্রিত হয়ে স্কুলের হল রুমে আসতে বললেন সবাইকে। তখন দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম শুভ (১৮) স্যারদের কোন কথায় না শোনে, তার আরো কয়েকজন বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেয়।
প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম শুভকে অফিসে ডেকে এনে তার হাতে তিনটি বেতের আঘাত করে বলেন তোমার কথা হবে সব।
এক পর্যায় শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম শুভর মনে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে উঠে। সেই বাহিরে গিয়ে বড় একটা লাঠি নিয়ে, শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন যখন অনুষ্ঠান শেষ করে সিঁড়ি দিয়ে নিচের দিকে নামতেছে। তখন উৎ পেতে থাকা শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম শুভ প্রধান শিক্ষকের মাথায় সজোরে কয়েকটা আঘাত করে।
শিক্ষকের আত্মচিৎকার শুনে আশেপাশের শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম শুভ দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন স্যারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। যাহার রেজি নং ১৭৬৩/০২।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন স্যার সুনামের সাথে দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকতা করে আসছে। তিনি এই নেক্কার জনক হামলার সুস্থতন্ত্রের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে সুবিচার কামনা করেন।
সোনাইমুড়ী থানার এস আই সুভাষ পাল বলেন, ছাত্র শিক্ষকের অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের কাজ চলমান রয়েছে।