
সোনাইমুড়ী উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলমগীর হোসেন সিম্পুর নাম সবার মুখে মুখে
জসিম উদ্দিন রাজ, নোয়াখালীঃ
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলমগীর হোসেন সিম্পুর নাম সবার আগে এবং সবার মুখে মুখে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায় যে, আলমগীর হোসেন সিম্পুর ছাত্র জীবন থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শ বুকে লালন করে বড় হয়েছেন। তিনি দলের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে এ দলের একজন নির্ভীক সৈনিক হিসেবে আজকে অবধি পর্যন্ত আছেন।
আলমগীর হোসেন সিম্পু ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে তিনি দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবি পেয়ে দলকে সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করেছিলেন।
শোনা যায় যে, দলের দুঃসময় বিগত দিনগুলোতে একাধিক মামলা হামলার শিকার হয়েছিলেন এ রাজনীতিবিদ। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলেন, এখন সময় এসেছে আলমগীর হোসেন সিম্পু ভাইকে সঠিক প্রতিদান দেওয়ার। তিনি এলাকায় এবং এলাকার বাইরে ও বেশ জনপ্রিয়।
তিনি চাচ্ছেন, আগামীতে সোনাইমুড়ী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট করার জন্য। তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মীর সাথে কথা বলে জানা যায় যে, আলমগীর হোসেন সিম্পু যদি উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যানই পদে ভোট করেন তাহলে বিপুল ভোটে উনি জয়লাভ করবেন।
এতে বিন্দুমাত্র কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ তার জনপ্রিয়তা দলের ভিতরে এবং তৃণমূলের কাছে অনেক ঊর্ধ্বে। আলমগীর হোসেন সিম্পু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে জড়িত। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর জাগো দল থেকে শুরু করে, তিনি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে সকল প্রতিকূলতার ঊর্ধ্বে উঠে দলের একজন নির্বিক সৈনিক হয়ে প্রথমে কাজ শুরু করেন। তাই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলেন,আলমগীর হোসেন সিম্পু দলের একজন পরীক্ষিত নেতা। এই নেতাকে মূল্যায়ন করার এখনই যথার্থ সময় এসেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামীতে তার পক্ষ হয়ে তার জন্য নিবেদিত হয়ে ভোটের মাঠে কাজ করে যাব।
আলমগীর হোসেন সিম্পু বলেন, আমার নতুন করে কিছু বলার নেই। আমার এলাকাবাসী ও আমার দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যদি আমাকে চায়, তাহলে আমি আগামীতে উপজেলার ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট করবো ইনশাআল্লাহ। আমি উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে দল মত নির্বিশেষে সবার জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যাতে সুস্থ থাকতে পারি এবং এলাকার জনগণের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করে যেতে পারি বাকি জীবন। আমার আর কোন চাওয়া নেই, আমার একটাই চাওয়া দলের হাই কমান্ড এর কাছে তারা যদি আমাকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দেয়, তাহলে আমি নির্বাচন অংশগ্রহণ করবো ইনশাআল্লাহ। জীবনের বাকিটুকু সময় সুখে-দুখে সবসময় এলাকার জনগণের উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই।